Monday, December 3, 2018

ঐক্যফ্রন্টের ইশতেহারের খসড়া প্রস্তুতঃ একই ব্যক্তির দুবারের বেশি প্রধানমন্ত্রিত্ব নয়

ঐক্যফ্রন্টের ইশতেহারের খসড়া প্রস্তুতঃ একই ব্যক্তির দুবারের বেশি প্রধানমন্ত্রিত্ব নয়

ঐক্যফ্রন্টের ইশতেহারের খসড়া প্রস্তুতঃ একই ব্যক্তির দুবারের বেশি প্রধানমন্ত্রিত্ব নয়

• ঐক্যফ্রন্টের ইশতেহারের খসড়া প্রস্তুত
• বড় ধরনের সংস্কারের প্রতিশ্রুতি আছে 
• চূড়ান্ত করতে আজ স্টিয়ারিং কমিটিতে যাবে
• নির্বাচনকালীন সরকারের বিধান
• সরকারি চাকরিতে বয়সসীমা তুলে দেওয়া
• দুর্নীতির বিচারে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন
ক্ষমতায় গেলে একই ব্যক্তি যাতে পরপর দুই মেয়াদের বেশি প্রধানমন্ত্রী হতে না পারেন, সে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। এ ছাড়া নিম্ন আদালত পুরোপুরি সুপ্রিম কোর্টের অধীন করা, সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করে সাংসদদের ভেটো ক্ষমতা প্রদান, নির্বাচনকালীন সরকারের বিধান তৈরি ও নির্বাচনে বিজয়ী ও পরাজিত সব দলের জন্য রাষ্ট্রের মালিকানা নিশ্চিত করার আশ্বাসসহ বড় ধরনের সংস্কারের প্রতিশ্রুতি থাকছে ঐক্যফ্রন্টের ইশতেহারে।
ঐক্যফ্রন্ট সূত্র জানায়, ঐক্যফ্রন্টের শরিক বিএনপি, গণফোরাম, জেএসডি, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ ও নাগরিক ঐক্যের একজন করে প্রতিনিধি নিয়ে গঠিত ইশতেহার কমিটি কয়েক দফা আলোচনা করে ইতিমধ্যে একটি খসড়া তৈরি করেছে। আজ সোমবার খসড়া চূড়ান্ত করে স্টিয়ারিং কমিটির কাছে পাঠাবে এ কমিটি। শীর্ষ নেতাদের সম্মতির পর আনুষ্ঠানিকভাবে ইশতেহার ঘোষণা করা হবে।
খসড়া ইশতেহারে বলা হয়েছে, মুঠোফোনে ইন্টারনেটের খরচ অর্ধেকে নামিয়ে আনা হবে। দেশের বিভিন্ন গণজমায়েতের স্থানে ফ্রি ওয়াই-ফাইয়ের ব্যবস্থা করা হবে। সংখ্যালঘু মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা করা হবে। সংখ্যালঘুদের ওপর যেকোনো রকম হামলার বিচার হবে বিশেষ ট্রাইব্যুনালে। দেশের দারিদ্র্যপ্রবণ জেলাগুলোতে শিল্পায়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। প্রতিরক্ষা বাহিনীর জন্য প্রয়োজনীয় যুদ্ধাস্ত্র এবং অন্যান্য সব সরঞ্জাম অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে কেনা হবে। সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের জন্য কল্যাণমূলক প্রকল্প গ্রহণ করা হবে। তিস্তাসহ অভিন্ন নদীর পানিবণ্টন, রোহিঙ্গা সমস্যাসহ অন্যান্য দ্বিপক্ষীয় সমস্যা আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত সমাধান করা হবে। নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীদের ওপর নৃশংস হামলাকারীদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনা হবে। শহরে গণপরিবহনকে প্রাধান্য দিয়ে পরিবহন নীতি প্রণয়ন করা হবে।
ক্ষমতার ভারসাম্য
ইশতেহারে বলা হয়, পরপর দুই মেয়াদের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকা যাবে না। অনাস্থা ভোট এবং অর্থবিল ছাড়া অন্য যেকোনো ক্ষেত্রে দলীয় সাংসদ দলের বিরুদ্ধে ভোট দিলেও তাঁদের সংসদ সদস্য পদ শূন্য হবে না, এমন সংশোধনী ৭০ অনুচ্ছেদে আনা হবে। সংসদের উচ্চকক্ষ সৃষ্টি করে বিভিন্ন দলের সদস্যসংখ্যা নির্ধারণে সংসদ নির্বাচনে প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব বিবেচনায় নেওয়া হতে পারে।
মতপ্রকাশের স্বাধীনতা
ক্ষমতায় এলে নিরাপত্তা আইন বাতিল করবে ঐক্যফ্রন্ট। সরকারি পদক্ষেপ এবং সরকারের পদধারীদের বিরুদ্ধে সমালোচনা, এমনকি ব্যঙ্গ-বিদ্রূপেরও অধিকার থাকবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ সব গণমাধ্যমের ওপর কোনো রকম প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সরকারি নিয়ন্ত্রণ থাকবে না।
গুম, খুন, পুলিশি নির্যাতন বন্ধ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড এবং গুম পুরোপুরি বন্ধ করবে ঐক্যফ্রন্ট। রিমান্ডের নামে পুলিশি হেফাজতে যেকোনো প্রকার শারীরিক নির্যাতন বন্ধ করা হবে। সাদাপোশাকে কাউকে গ্রেপ্তার করা হবে না। বিপথগামী রাজনৈতিক কর্মীদের হাত থেকেও নাগরিকগণ সুরক্ষিত থাকবে।
চাকরির বয়সসীমা থাকবে না
সোয়া দুই কোটি তরুণ ভোটারের মন জয় করতে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির বড় পরিকল্পনা নিয়েছে ঐক্যফ্রন্ট। পুলিশ ও সামরিক বাহিনী ছাড়া সরকারি চাকরিতে প্রবেশের কোনো বয়সসীমা রাখবে না তারা। অনগ্রসর জনগোষ্ঠী ও প্রতিবন্ধীদের জন্য কোটা চালু করা হবে। ত্রিশোর্ধ্ব শিক্ষিত বেকারের জন্য বেকার ভাতা চালু করা হবে। তিন বছরের মধ্যে সব সরকারি শূন্য পদে নিয়োগ সম্পন্ন করা হবে।
দুর্নীতির বিচারে ট্রাইব্যুনাল
ন্যায়পাল নিয়োগ করা হবে এবং সংবিধান-নির্দেশিত সব দায়িত্ব পালনে ন্যায়পালকে পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়া হবে। বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করে দুর্নীতির সঙ্গে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনার ঘোষণা থাকছে ইশতেহারে। খসড়ায় বলা হয়েছে, দুর্নীতি দমন কমিশনকে সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে কাজ করতে দেওয়া হবে। দুর্নীতিবাজ সরকারি কর্মকর্তা গ্রেপ্তারে সরকারের অনুমতির বিধান (সরকারি চাকরি আইন-২০১৮) বাতিল করা হবে। ব্যাংকিং খাতে ও শেয়ারবাজারে লুটপাটে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পিএসসি-জেএসসি বাতিল
পিএসসি ও জেএসসি পরীক্ষা বাতিল করা এবং সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার ব্যবস্থা করার প্রতিশ্রুতি থাকছে ইশতেহারে। প্রথম বছর থেকেই ডাকসুসহ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত ছাত্র সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠান নিশ্চিত, বেসরকারি শিক্ষা পুরোপুরি ভ্যাটমুক্ত এবং মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের কারিগরি শিক্ষা দিয়ে বিদেশে কর্মসংস্থান করা হবে।
কৃষক-শ্রমিকদের ন্যায্যমূল্য
ঐক্যফ্রন্ট সরকারের দায়িত্ব পেলে সব খাতের শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ এবং গার্মেন্টসসহ অন্য সব শিল্প এলাকায় শ্রমিকদের জন্য বহুতল ভবন নির্মাণের মাধ্যমে আবাসনের ব্যবস্থা, কৃষি ভর্তুকি বাড়িয়ে সার বীজ ও অন্যান্য কৃষি উপকরণ সহজলভ্য করা হবে।
অতিদরিদ্র ও দুস্থদের জন্য বিনা মূল্যে খাদ্য বিতরণ এবং বিনা মূল্যে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হবে। বয়স্ক ভাতা, দুস্থ মহিলা ভাতা, বিধবা ও স্বামী পরিত্যক্তাদের ভাতার পরিমাণ এবং আওতা বাড়ানো হবে। শ্রমিক-খেতমজুরসহ গ্রাম ও শহরের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য সুলভ মূল্যে রেশনিং চালু করা হবে।
দায়িত্বপ্রাপ্তির এক বছরের মধ্যে মানুষকে ভেজাল ও রাসায়নিকমুক্ত নিরাপদ খাদ্য পাওয়ার নিশ্চয়তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও থাকছে ইশতেহারে।
নারীর ক্ষমতায়ন
নারীর জন্য সংরক্ষিত আসনের প্রথার পরিবর্তে সরাসরি নির্বাচনের ক্ষেত্রে নারীর জন্য বাধ্যতামূলক ২০ শতাংশ মনোনয়নের বিধান করা হবে। প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা হবে। ইউরোপ, জাপানসহ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের শ্রমশক্তির রপ্তানির জন্য নতুন নতুন বাজার খুঁজে বের করা হবে।
ঐক্যফ্রন্টের ইশতেহার কমিটিতে আছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা জাফরুল্লাহ চৌধুরী, বিএনপির পক্ষে মাহফুজ উল্লাহ, গণফোরামের আ ও ম শফিক উল্লাহ, জেএসডির শহীদ উদ্দিন, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের ইকবাল সিদ্দিকী ও নাগরিক ঐক্যের জাহেদ উর রহমান।
জাফরুল্লাহ চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, কল্যাণকর রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়েই ইশতেহার তৈরি করা হচ্ছে। সংবিধান সংশোধনসহ অনেক সংস্কার প্রস্তাব থাকছে। খসড়া চূড়ান্ত হওয়ার পর ওয়েবসাইটের মাধ্যমে জনগণের মতামত নেওয়ার পরিকল্পনা আছে। প্রথম আলো 



Friday, November 30, 2018

বাংলালিংকের নতুন নাম্বার সিরিজ"014" : এখনই নিয়ে নিন আপনার  কাংখিত নাম্বারটি : BDNewspaper.net

বাংলালিংকের নতুন নাম্বার সিরিজ"014" : এখনই নিয়ে নিন আপনার কাংখিত নাম্বারটি : BDNewspaper.net

বাংলালিংকের নতুন নাম্বার সিরিজ"014"

banglalink news. all news of telecom. telecom news. news of bangla telecom. #BTRC.

খন, বাংলালিংক এ বিদ্যমান "019" সিরিজের পাশাপাশি একটি নতুন সংখ্যা সিরিজ "014" উপস্থাপন করেছে। যে কেউ তাদের এনআইডি এবং একটি বিদ্যমান "019" নম্বর দিয়ে এই নতুন নম্বরটি বিনামূল্যে কিনে নিতে পারবেন এবং বাংলালিংকের চ্যাম্পিয়ন ডেন এর অংশীদার হতে পারবেন । কারন বাংলালিংক বিশ্বাস করে যে - "বড় পরিবার মানেই ভালো উৎসব!"

নতুন সিম কার্ডগুলি একই দামে এবং একই সিম টুল কিট প্যাকেজিংয়ের সাথে সিম বিক্রেতাদের কাছে পাওয়া যাবে ।

 শর্তাবলী:
গ্রাহককে তাদের এনআইডি এবং একটি 019 নম্বর (একই এনআইডি এর অধীনে নিবন্ধিত) আউটলেটে আনতে হবে,
ads.
dollar buy sell, #dollar sell. dollar becha kena, dollar bikri. dollar to taka. dollartotaka.com


কেউ 014 সিম কেনার সময়, বায়োমেট্রিক ডিভাইসটি পরীক্ষা করে নেওয়া হবে_ কারন সে এই অফারটির জন্য যোগ্য কিনা (যদি তাদের এন আই ডি সংযুক্ত 019 সিমতে নিবন্ধিত হয়)।
তারা যোগ্য হলে 014 সিম ফ্রি পাবেন (তবে তাদের 014 সিম টি-তে 48 টাকায় রিচার্জ করতে হবে, তাদের মুল অ্যাকাউন্টে 48 টাকায় ফিরে আসবে এবং তাদের অধিগ্রহণের অফার সক্রিয় হবে)
একটি 014 সিরিজের সিম ফ্রী পেতে, তাদের অবশ্যই একটি এন আই ডি কার্ড অথবা, একই এনআইডি-এর অধীনে নিবন্ধিত 019-নম্বরটি আনতে হবে
বায়োমেট্রিক ডিভাইস থেকে, আপনি এই  বিশেষ অফারের জন্য নতুন 014 সিমকে নিজের 019 সিমতে ট্যাগ করতে পারবেন  (54 পয়সা/ মিনিট, 1 সেকেন্ড পালস: 0.9 পয়সা / সেকেন্ড)
ট্যাগিং প্রক্রিয়া সম্পূর্ণরূপে সম্পূর্ণ হওয়ার জন্য 60 মিনিট সময় লাগতে পারে ।
এই বিশেষ শুল্কটি কেবল দুটি সিমগুলির মধ্যেই প্রযোজ্য; এক সিমটিতে এই অফারটিতে একাধিক থাকতে পারে না।
এর ভ্যালিডিটি থাকবে: লাইফটাইম ।
নতুন 014 সিমে অফারটি পেতে প্রথমে  রিচার্জ করতে হবে 48 টাকা ।

আরো থাকছে 90 দিনের জন্য সকল অপারেটরকে 1 পয়সা/ সেকেন্ডের বিশেষ কল রেট।
এবং 1 জিবি ফ্রি ইন্টারনেটের তাত্ক্ষণিক বোনাস, 15 দিনের জন্য । ইন্টারনেট ব্যালেন্স চেক করতে  ডায়াল করুন *5000*500 #
1 জিবি বোনাস ইন্টারনেটের সবসময়-ই ব্যাবহার করতে পারবেন ।
বোনাস ইন্টারনেট ভলিউম সমাপ্তির পরে, 1 টাকায়/MB  ডিফল্ট হিসাবে-চার্জ করা হবে।
প্রথম রিচার্জ অফার টাকা 48, শুধুমাত্র নতুন গ্রাহকদের জন্য এবং শুধুমাত্র প্রথম রিচার্জের জন্য প্রযজ্য 48 টাকা ।
014 নম্বর সম্পূর্ণ অধিগ্রহণ প্রস্তাবের জন্য যোগ্য হবে।
সম্পূর্ণ অধিগ্রহণ প্রস্তাবের জন্য, এখানে যান

ads:

jobs bd. jobcircular.net.#bbangladesh job circular, jobs.bd. saptahik chakrir khobor. jobs news. army jobs.#teacher jobs.
চাকরি খুজছেন? 
এখন ঘরে বসেই খুজে নিন আপনার পছন্দের চাকরি।jobcirCular.net

Wednesday, October 31, 2018

বগুড়া-সিরাজগঞ্জ ডুয়েল গেজ রেলপথ নির্মাণ সহ ২৪ প্রকল্প একনেকে অনুমোদন ; ভূমি অধিগ্রহণের নির্দেশ

বগুড়া-সিরাজগঞ্জ ডুয়েল গেজ রেলপথ নির্মাণ সহ ২৪ প্রকল্প একনেকে অনুমোদন ; ভূমি অধিগ্রহণের নির্দেশ

বগুড়া-সিরাজগঞ্জ ডুয়েল গেজ রেলপথ নির্মাণ
 শেষ পর্যন্ত বহু প্রতীক্ষিত উত্তরবঙ্গের সঙ্গে রাজধানী ঢাকার দ্রুত যোগাযোগের বগুড়া-সিরাজগঞ্জ ডুয়েল গেজ রেললাইন নির্মাণ কাজ শীঘ্রই শুরু হচ্ছে। ৫ হাজার ৫শ’ ৮০ কোটি টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ের এই প্রকল্পটির অর্থের জোগান হয়েছে। ভারতীয় লেটার অব ক্রেডিটের (এলসি) আওতায় প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হবে। রেলপথ বিভাগের উর্ধতন সূত্র বিষয়টি জানিয়েছে। আশা করা হয়েছে ২০২১ সালের মধ্যেই রেলপথ প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হবে। পরামর্শক নিয়োগ হয়েছে।     একই সূত্র জানায়, এই রেলপথে পূর্বের প্রস্তাবিত ৭২ কিলোমিটার রেললাইনের স্থলে বর্তমানে ৮৬ দশমিক ৫১ কিলোমিটার সরাসরি মিশ্র গেজ (ডুয়েল গেজ) এবং ১৬ কিলোমিটার লুপ রেলপথ ডুয়েল গেজসহ মোট ১শ’ ২ দশমিক ৮১ কিলোমিটার রেলপথ নির্মিত হবে। বগুড়া থেকে সিরাজগঞ্জের এম মনসুর আলী রেলস্টেশন পর্যন্ত মূল রেললাইন হবে। তার সঙ্গে বগুড়াকে জংশন করে লুপ রেলপথ হবে। নতুন প্রজেক্ট প্রোফাইলে বগুড়াকে রেল জংশনে উন্নীত ও দশটি নতুন রেলস্টেশন নির্মাণ করা হবে। রেলপথের নক্সা তৈরি, স্টেশনের সংখ্যা নির্ধারণসহ আনুষঙ্গিক সকল কাজ শেষ হয়ে ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট প্রোফাইলে (ডিপিপি) অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। যা আজ উত্থাপিত হচ্ছে। উল্লেখ্য, প্রকল্পটি গেল জুন মাসে একনেক বৈঠকে যাওয়ার কথা ছিল। প্রকল্পটিকে আরও আধুনিকায়ন করে আজ উত্থাপন করা হচ্ছে।    এই রেলপথ নির্মাণে বগুড়া সীমানায় ৫৪ কিলোমিটার রেললাইনের জন্য ৫শ’৬০ একর ভূমি এবং সিরাজগঞ্জ সীমানায় ৩২ কিলোমিটার রেলপথের জন্য ৪শ’ একর ভূমি অধিগ্রহণের প্রস্তাব করা হয়েছে। মোট ৯শ’৬০ একর ভূমির মূল্য নির্ধারণের কাজ শেষ হয়েছে। একনেক বৈঠকে প্রকল্প অনুমেদিত হওয়ার পর জেলা প্রশাসকগণের কাছে রেললাইনের জন্য ভূমি অধিগ্রহণের নির্দেশ দেয়া হবে। প্রকল্পের আওতায় রেললাইন নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে এভাবে- বগুড়া রেলস্টেশন থেকে আড়াই কিলোমিটার পশ্চিমে ছোট বেলাইল এলাকা থেকে সিরাজগঞ্জের এম মনসুর আলী রেলস্টেশন পর্যন্ত ৮৬ দশমিক ৫১ কিলোমিটার। বগুড়ার পশ্চিমের কাহালু রেলস্টেশন থেকে রানীরহাট পর্যন্ত ১৬ দশমিক ৩০ কিলোমিটার। এটি হবে কানেকটিভিটি লুপ রেললাইন। লুপ রেললাইন নির্মাণের যৌক্তিকতা হলো : সান্তাহার থেকে ছেড়ে যাওয়া ঢাকাগামী এবং ঢাকা থেকে ছেড়ে যাওয়া সান্তাহার হয়ে দিনাজপুরের পার্বতীপুরগামী ট্রেনগুলো যাতে বগুড়া স্টেশন এড়িয়ে সরাসরি চলাচল করতে পারে সেজন্য কাহালু-রানীরহাট রেললাইন নির্মিত হবে। এই দুই রেলপথ মিলিত হওয়ার কারণে বগুড়া নগরী থেকে প্রায় ৮ কিলোমিটার দূরে রানীরহাটে একটি রেল জংশন নির্মিত হবে। যা হবে বগুড়া জংশন। নতুন এই রেলপথের বগুড়া থেকে সিরাজগঞ্জ পর্যন্ত দশটি পয়েন্টে নতুন রেলস্টেশন নির্মিত হবে। যার মধ্যে আছে : শেরপুর, চান্দাইকোনা, রায়গঞ্জ, কিষানদিয়া ও সদানন্দপুর। নতুন এই পথে রেল সেতু রেল ক্রসিং ছাড়াও সর্বাধুনিক সিগন্যালিং ব্যবস্থা, কম্পিউটার হটলাইন ও কন্ট্রোল অনলাইন টিকেটিং সিস্টেমসহ সকল ডিজিটাল পদ্ধতি থাকবে।
বগুড়া-সিরাজগঞ্জ ডুয়েল গেজ রেলপথ নির্মাণ

বগুড়া থেকে সিরাজগঞ্জের শহীদ এম মনসুর আলী স্টেশন পর্যন্ত ৮৬ দশমিক ৫১ কিলোমিটার নতুন ডুয়েল গেজ রেলপথ নির্মাণ করবে সরকার। পাশাপাশি ১৬ দশমিক ৩০ কিলোমিটার ডুয়েলগেজ লুপ লাইন নির্মিত হবে।   মঙ্গলবার (৩০ অক্টোবর) একনেক সভায় প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সভাপতিত্ব করেন।   ‘বাংলাদেশ রেলওয়ের বগুড়া থেকে শহীদ এম মনসুর আলী স্টেশন (সিরাজগঞ্জ) পর্যন্ত সরাসরি নতুন ডুয়েলগেজ রেলপথ নির্মাণ’ প্রকল্পের আওতায় নতুন এ রেললাইন নির্মাণ করা হবে।   একনেক সভায় মোট ২৪টি প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এসব প্রকল্পের মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ২৪ হাজার ৭৪০ কোটি টাকা।     সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, টাঙ্গাইল থেকে সরাসরি বগুড়া হয়ে উত্তরবঙ্গে চলে যাবে রেলপথ। এখন টাঙ্গাইল থেকে পাবনা ও ঈশ্বরদী হয়ে বগুড়ায় যাওয়া যাবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ঢাকা থেকে উত্তরবঙ্গ রুটে ১১২ কিলোমিটার দূরত্ব কমে যাবে। পাশাপাশি ভ্রমণ সময়ও কমে যাবে প্রায় তিন ঘণ্টা।    জানা যায়, বর্তমানে সিরাজগঞ্জের জামতলী থেকে ঈশ্বরদী হয়ে পার্বতীপুরের দূরত্ব ২৪৬ কিলোমিটার। ঢাকার সঙ্গে দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল রুটে গাজীপুর, টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ, নাটোর, পাবনা, বগুড়া, গাইবান্ধা, রংপুর, কুড়িগ্রাম এবং লালমনিরহাটে রেল যোগাযোগ রয়েছে। এ ব্যবস্থা আরও সহজ করতে নতুন করে এই রেলপথ নির্মাণ করা হবে।   প্রকল্পের মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৫ হাজার ৫৭৯ কোটি ৭০ লাখ টাকা। এর মধ্যে ভারতীয় ঋণ ৩ হাজার ১৪৭ কোটি টাকা। চলতি বছর থেকে ২০২২ সালের জুনের মধ্যে এ রেলপথটি নির্মিত হবে। রেল লাইনের পাশাপাশি প্রকল্পের আওতায় ট্র্যাকওয়ার্কস, বাঁধ, স্টেশন বিল্ডিং, সেতু ও কালভার্ট নির্মাণ করা হবে। 

Monday, October 1, 2018

 নম্বর ঠিক রেখে অপারেটর বদল শুরু

নম্বর ঠিক রেখে অপারেটর বদল শুরু

দেশে চালু হয়েছে মোবাইল ফোন নম্বর পোর্টেবিলিটি (এমএনপি) সেবা। আজ সোমবার থেকে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) এই সেবা চালু করেছে। এতে গ্রামীণফোন, রবি, বাংলালিংক ও টেলিটকের গ্রাহকেরা একে অন্যের নেটওয়ার্কে গিয়ে তাদের কলরেট ও ইন্টারনেট প্যাকেজ ব্যবহার করতে পারবেন, কিন্তু নম্বর থাকবে আগেরটাই।
আজ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর রমনায় বিটিআরসির সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান সংস্থার চেয়ারম্যান জহুরুল হক। তিনি বলেন, এখন থেকে এই সেবা চালু হলো। এক অপারেটরের নম্বরে অন্য অপারেটরের নেটওয়ার্ক ব্যবহার করা যাবে। গ্রাহক যে অপারেটর সেবা পছন্দ করবেন, বিনা দ্বিধায় সেই অপারেটর বদল করতে পারবেন। এ জন্য নিজের ফোন নম্বর পাল্টাতে হবে না। এ সেবা প্রবর্তনের ফলে মোবাইল অপারেটরদের মধ্যে গুণগত সেবা প্রদানের প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা যায়।
সংবাদ সম্মেলনে বিটিআরসির চেয়ারম্যান বলেন, সকাল ৭টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত ১৭ জন গ্রাহক এই সেবা গ্রহণের মাধ্যমে অপারেটর পরিবর্তন করেছেন। আজ থেকে এটি পরীক্ষামূলকভাবে চালু হলো। এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী।
জহুরুল হক আরও বলেন, ‘এটি পরিবর্তনের জন্য গ্রাহককে এখন যে টাকা দিতে হচ্ছে, তার হার ধীরে ধীরে কমানো হবে। লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান লাভ বেশি করলে এই টাকার হার আরও কমিয়ে দেওয়া হবে।’
সংবাদ সম্মেলনে বিটিআরসির চেয়ারম্যান ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সংস্থার বিভিন্ন বিভাগের কমিশনার, মহাপরিচালক, পরিচালক ও এমএনপি সেবা প্রদানের লক্ষ্যে লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান ইনফোজিলিয়ন।
বাংলাদেশে এমএনপি চালুর জন্য গত বছরের জুলাই মাসে নীতিমালার চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।
অপারেটর বদলাতে গ্রাহককে জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) তথ্য নিয়ে সংশ্লিষ্ট অপারেটরের (যেটায় যেতে আগ্রহী) কাস্টমার কেয়ার বা সেবাকেন্দ্রে যেতে হবে। স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা চালু থাকায় গ্রাহকদের ছবি লাগবে না। কাস্টমার কেয়ারে গিয়ে নির্ধারিত ফি জমা দিলে গ্রাহককে নতুন সিম দেওয়া হবে। নিয়ম অনুযায়ী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে নতুন সিম চালু হওয়ার কথা। একবার অপারেটর বদলালে গ্রাহককে নতুন অপারেটরে ৯০ দিন থাকতে হবে।
জুলাই মাসে এমএনপি নীতিমালা চূড়ান্ত করার সময় বলা হয়েছিল—অপারেটর পরিবর্তনে গ্রাহককে ৩০ টাকা ফি বা মাশুল দিতে হবে। অবশ্য চালুর আগে তা বাড়িয়ে ৫০ টাকা করেছে বিটিআরসি। এ টাকা পাবে ইনফোজিলিয়ন ও বিটিআরসি। অবশ্য এর ওপর ১৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট আছে। ফলে গ্রাহকের ফি দাঁড়াচ্ছে ৫৭ টাকা ৫০ পয়সা। এ ছাড়া সিম পরিবর্তনের ওপর জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ১০০ টাকা কর আছে। সব মিলিয়ে গ্রাহকের ফি দাঁড়াচ্ছে ১৫৮ টাকা।
অবশ্য দ্রুত (২৪ ঘণ্টার মধ্যে) এমএনপি সেবা নিতে ১০০ টাকা বাড়তি দিতে হবে গ্রাহককে। এর ওপর ১৫ শতাংশ ভ্যাট আছে। যদিও অতি জরুরি ক্ষেত্রে পোস্টপেইড গ্রাহক ছাড়া অন্য গ্রাহকদের বাড়তি টাকা দিয়ে দ্রুত সেবা নেওয়ার প্রয়োজন হবে না বলে মনে করছে ইনফোজিলিয়ন। প্রথম আলো

Thursday, September 27, 2018

২৪ ঘণ্টার মধ্যে অপারেটর বদলাতে চাইলে ব্যয় হবে ২৫৮ টাকা -এমএনপি

২৪ ঘণ্টার মধ্যে অপারেটর বদলাতে চাইলে ব্যয় হবে ২৫৮ টাকা -এমএনপি

২৪ ঘণ্টার মধ্যে বদলাতে চাইলে ব্যয় হবে ২৫৮ টাকা


দেশের মোবাইল ফোন গ্রাহকেরা আগামী সোমবার থেকে নম্বর অপরিবর্তিত রেখে অপারেটর বদল করতে পারবেন। তাঁদের এই সুযোগ দিতে দেশে প্রথমবারের মতো চালু হচ্ছে মোবাইল নম্বর পোর্টেবিলিটি বা এমএনপি সেবা। এর মাধ্যমে গ্রামীণফোন, রবি, বাংলালিংক ও টেলিটকের গ্রাহকেরা একে অন্যের নেটওয়ার্কে গিয়ে তাদের কলরেট ও ইন্টারনেট প্যাকেজ ব্যবহার করতে পারবেন, কিন্তু নম্বর থাকবে আগেরটাই।

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) মঙ্গলবার মোবাইল অপারেটরগুলোকে চিঠি দিয়ে এমএনপি সেবা চালুর দিনক্ষণ জানিয়ে দিয়েছে। এমএনপি সেবার দায়িত্ব পাওয়া প্রতিষ্ঠান ইনফোজিলিয়ন টেলিটেক-বিডি জানিয়েছে, ৩০ সেপ্টেম্বর অর্থাৎ রোববার দিবাগত রাত ১২টা ১ মিনিটে এ সেবা চালু হবে। ১ অক্টোবর, অর্থাৎ সোমবার থেকে কোনো গ্রাহক অপারেটর বদল করতে চাইলে তাঁকে সংশ্লিষ্ট অপারেটরের (যেটায় যেতে আগ্রহী) কাস্টমার কেয়ার সেন্টারে গিয়ে নতুন একটি সিম (নম্বর আগেরটাই) নিতে হবে। এই সিম পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে চালু হবে।
এদিকে সেবাটি চালুর আগেই গ্রাহকের মাশুল বা ফি বাড়িয়ে দিয়েছে বিটিআরসি। প্রতিবার নম্বর বদলাতে গ্রাহককে ফি হিসেবে ৫০ টাকা দিতে হবে, যা এত দিন ৩০ টাকার কথা বলা হয়েছিল। অবশ্য একবার অপারেটর বদলাতে সব মিলিয়ে গ্রাহকের ব্যয় হবে ১৫৭ টাকা ৫০ পয়সা। এর মধ্যে এমএনপি সেবার ফি ৫০ টাকা ও তার ওপর ১৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট বাবদ সাড়ে ৭ টাকা এবং সিম পরিবর্তন বা রিপ্লেসমেন্টের বিপরীতে কর ১০০ টাকা।
অপারেটররা বলছে, প্রতিবার অপারেটর বদলাতে নতুন সিম নিতে হবে। এ জন্য কর গ্রাহককেই দিতে হবে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অপারেটর বদলাতে চাইলে ব্যয় হবে ২৫৮ টাকা। কারণ, দ্রুত সেবা দেওয়ার জন্য ইনফোজিলিয়ন ১০০ টাকা বাড়তি নেবে গ্রাহকদের কাছ থেকে।
একবার অপারেটর পরিবর্তন করে অন্য অপারেটরে গেলে ৯০ দিন সেখানে থাকতে হবে। অর্থাৎ, অপারেটর পরিবর্তন করার পর যদি মনে হয় নতুন অপারেটরের সেবা ভালো নয়, তারপরও গ্রাহক নির্দিষ্ট সময়ের আগে অপারেটর বদলাতে পারবেন না।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিটিআরসি যে শর্ত ও ফি ধার্য করে এমএনপি সেবা চালু করছে, তাতে এটি গ্রাহকের কাছে খুব আকর্ষণীয় হওয়ার সম্ভাবনা কম। মোবাইল অপারেটরদের সেবার মান, কলরেট ও ইন্টারনেট প্যাকেজের ক্ষেত্রে আকর্ষণীয় কোনো পার্থক্য নেই। অবশ্য এমএনপির সফলতা নির্ভর করছে গ্রাহক টানতে অপারেটররা নতুন নতুন প্যাকেজ চালু করে কি না, তার ওপর।
জানতে চাইলে টেলিযোগাযোগ গবেষণা প্রতিষ্ঠান লার্ন এশিয়ার জ্যেষ্ঠ গবেষক আবু সাইদ খান প্রথম আলোকে বলেন, কম দাম অথবা ভালো মানের সেবার জন্য মানুষ অপারেটর বদলায়। এ দেশে কার্যকর তিন অপারেটরের মধ্যে তেমন প্রতিযোগিতা দেখা যায় না। আর ভালো মানের সেবা নিশ্চিত করতে নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও অপারেটর—দুই পক্ষের মধ্যেই কোনো উদ্বেগ নেই। তিনি আরও বলেন, ‘এমএনপির ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল হওয়ার কোনো কারণ আমি দেখি না।’
খুব বেশি আশাবাদী নয় দ্বিতীয় শীর্ষ মোবাইল অপারেটর রবিও। প্রতিষ্ঠানটির গণমাধ্যম ও যোগাযোগ বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট ইকরাম কবীর প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা এমএনপি নিয়ে সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ করেছি। তবে এ সেবা নিতে একজন গ্রাহকের জন্য যে ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে, তাতে এমএনপির আশানুরূপ ফলাফল নিয়ে আমরা শঙ্কিত।’
এদিকে ইনফোজিলিয়ন ও অপারেটররা জানিয়েছে, এমএনপি চালুর সব প্রস্তুতি শেষ। জানতে চাইলে শীর্ষ অপারেটর গ্রামীণফোনের চিফ করপোরেট অফিসার মাহমুদ হোসেন বলেন, ‘গ্রাহককে আমাদের নেটওয়ার্কে স্বাগত জানাতে আমরা প্রস্তুত।’
মাশুল বাড়ল
বাংলাদেশ ও স্লোভেনিয়ার জোট বা কনসোর্টিয়াম ইনফোজিলিয়ন গত নভেম্বরে এমএনপি সেবার লাইসেন্স পায়। এর আগে জুলাই মাসে এমএনপি নীতিমালা বা গাইডলাইন চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। তখন অপারেটর পরিবর্তনে সেবাদানকারীর ফি ৩০ টাকা ধরা হয়েছিল। এখন চালুর আগে তা বাড়িয়ে ৫০ টাকা করা হয়েছে। এ অর্থের ভাগ বিটিআরসিও পাবে।
জানতে চাইলে ইনফোজিলিয়নের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাবরুর হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘৩০ টাকা ফি ধরা হয়েছিল তিন-চার বছর আগে। এখনকার সার্বিক বিষয় বিবেচনায় নিয়ে বিটিআরসি তা ৫০ টাকা করেছে।’ প্রথম আলো 

Wednesday, September 19, 2018

Bangladeshi Bank List

Bangladeshi Bank List

 Bangladeshi All Bank List


The banking sector in Bangladesh consists of several types of institutions. Bangladesh Bank is the central bank of Bangladesh and the chief regulatory authority in the banking sector.
Pursuant to Bangladesh Bank Order, 1972 the Government of Bangladesh reorganized the Dhaka Branch of the State Bank of Pakistan as the central bank of the country, and named it Bangladesh Bank with retrospective effect from 16 December 1971. Other than the Central Bank itself, banks in Bangladesh are primarily categorized into 2 types. They are Scheduled Banks and Non-Scheduled Banks.


State-owned commercial banks
Sonali Bank LTD
Janata Bank LTD
Agrani Bank LTD
Rupali Bank LTD
BASIC Bank LTD
BDBL (Bangladesh Development Bank LTD)


Private commercial banks
AB Bank LTD
Bangladesh Commerce Bank LTD
Bank Asia LTD
BRAC Bank LTD
Dhaka Bank LTD
Dutch Bangla Bank LTD
Eastern Bank LTD
IFIC Bank LTD
Jamuna Bank LTD
Meghna Bank LTD
Mercantile Bank LTD
Midland Bank LTD
Modhumoti Bank LTD
Mutual Trust Bank LTD
National Bank LTD
NCC Bank LTD
NRB Bank LTD
NRB Commercial Bank LTD
NRB Global Bank LTD
One Bank LTD
Prime Bank LTD
Pubali Bank LTD
Simanto Bank LTD (proposed)
South Bangla Agriculture and Commerce Bank LTD (www.sbacbank.com)
Southeast Bank LTD
Standard Bank LTD
The City Bank LTD
The Farmers Bank LTD
The Premier Bank LTD
Trust Bank LTD
United Commercial Bank LTD
Uttara Bank LTD

There are eight private Islamic Commercial Banks in Bangladesh:
Islami Bank Bangladesh LTD
Al-Arafah Islami Bank LTD
Export Import Bank of Bangladesh LTD
Social Islami Bank LTD
Shahjalal islami Bank LTD
First Security Islami Bank LTD
Union Bank LTD
ICB Islamic Bank LTD

Foreign commercial banks
Bank Al-Falah
Citibank NA
Commercial Bank of Ceylon
Habib Bank LTD
HSBC (The Hong Kong and Shanghai Banking Corporation Ltd.)
National Bank of Pakistan
Standard Chartered Bank
State Bank of India
Woori Bank

Specialized banks

Bangladesh Development Bank LTD
Bangladesh Krishi Bank
Rajshahi Krishi Unnayan Bank
Karmasangsthan Bank
Probashi Kallyan Bank
Palli Sanchay Bank
Grameen Bank
Ansar-VDP Unnayan Bank
Bangladesh Samabaya Bank Ltd
The Dhaka Mercantile co-operative Bank Ltd
Progoti Co-operative Land Development Bank LTD (Progoti Bank)


NPSB Member banks
AB Bank LTD
Al-Arafah Islami Bank LTD
Bangladesh Krishibank LTD
Bank Asia LTD
BASIC Bank LTD
BRAC Bank LTD
Dutch-Bangla Bank LTD
Eastern Bank LTD
EXIM Bank LTD
First Security Islami Bank LTD
ICB Islamic Bank LTD
IFIC Bank LTD
Islami Bank Bangladesh LTD
Jamuna Bank LTD
Meghna Bank Llimited
Mercantile Bank LTD
Midland Bank LTD
Modhumoti Bank LTD
Mutual Trust Bank LTD
National Bank LTD
NRB Bank LTD
NRB Commercial Bank Ltd
NRB Global Bank LTD
One Bank LTD
Prime Bank LTD
Pubali Bank LTD
SBAC Bank LTD
Shahjalal Islami Bank LTD
Social Islami Bank LTD
Sonali Bank LTD
Southeast Bank LTD
Standard Bank LTD
Standard Chartered Bank LTD
The City Bank LTD
Trust Bank LTD
Union Bank LTD
United Commercial Bank LTD
Uttara Bank LTD
Agrani Bank LTD
Habib Bank LTD

Non-banking financial institutions

[ National Payment Switch Bangladesh (NPSB) ]

Investment Corporation of Bangladesh (ICB)
Uttara Finance and Investments LTD
United Leasing Company LTD
Union Capital LTD
The UAE-Bangladesh Investment Company LTD
Saudi-Bangladesh Industrial & Agricultural Investment Company LTD (SABINCO)
Reliance Finance LTD
Prime Finance & Investment LTD
Premier Leasing & Finance LTD
Phoenix Finance and Investments LTD
People’s Leasing and Financial Services LTD
National Housing Finance and Investments LTD
National Finance LTD
MIDAS Financing LTD
LankaBangla Finance LTD
Islamic Finance and Investment LTD
International Leasing and Financial Services LTD
Infrastructure Development Company LTD (IDCOL)
Industrial Promotion and Development Company of Bangladesh LTD (IPDC)
Industrial and Infrastructure Development Finance Company (IIDFC) LTD
IDLC Finance LTD
SUMON Bank
Hajj Finance Company LTD
GSP Finance Company (Bangladesh) LTD (GSPB)
First Lease Finance & Investment LTD
FAS Finance & Investment LTD
Fareast Finance & Investment LTD
Delta Brac Housing Finance Corporation LTD (DBH)
Bay Leasing & Investment LTD
Bangladesh Industrial Finance Company LTD (BIFC)
Bangladesh Finance & Investment Company LTD
Agrani SME Finance Company LTD
CAPM Venture Capital and Finance LTD
Meridian Finance and Investment LTD
Realistic Finance Bank LTD

Saturday, September 15, 2018

দেশের সকল নাগরিকের একক পরিচয় নম্বর-ইউআইডি  হচ্ছে

দেশের সকল নাগরিকের একক পরিচয় নম্বর-ইউআইডি হচ্ছে

১৫ সেপ্টেম্বর- বিশ্বের উন্নত দেশের মতো বাংলাদেশের সব নাগরিকের একক পরিচয় নম্বর-ইউআইডি (Unique ID) হচ্ছে। নতুন চালু হওয়া ১০ ডিজিটের জাতীয় পরিচয়পত্রের স্মার্ট কার্ডকে ভিত্তি ধরেই এটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। শূন্য থেকে ১৮ বছরের কম বয়সী নাগরিকদের স্মার্ট কার্ডের ১০ ডিজিটের আইডির আদলে একক পরিচয় নম্বরের আওতায় আনা হবে। পাশাপাশি শিশুরা জন্মের পরপরই তাদেরও অনুরূপ ইউআইডি’র আওতায় আনা হবে।
সরকারের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের তত্ত্বাবধায়নে পরিচালিত সিভিল রেজিস্ট্রেশন অ্যান্ড ভাইটাল স্ট্র্যাটিসটিকস (CRVS) সচিবালয়, নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধন অনুবিভাগ, জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধকের কার্যালয়সহ সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
দেশের সকল নাগরিকের একক পরিচয় নম্বর-ইউআইডি  হচ্ছে

জানা গেছে, দেশের সব নাগরিকের একক পরিচয়পত্র প্রদানের চিন্তা থেকেই ভোটারদের ১০ ডিজিটের স্মার্ট কার্ড দেওয়া হচ্ছে। দেশের নাগরিকদের মধ্যে যারা নির্বাচন কমিশনের দেওয়া ১০ ডিজিটের স্মার্ট কার্ড পেয়েছেন বা পাবেন, তাদের কার্ডের নম্বরই ইউআইডি হিসেবে পরিচিত হবে। বয়স ১৮ বা তার বেশি হলেও বিভিন্ন কারণে যারা ভোটার হতে পারেননি, তারাসহ শুন্য থেকে ১৮ বছরের কম বয়সীদের পর্যায়ক্রমে এর আওতায় আনা হবে। শূন্য থেকে ১০ বছর পর্যন্ত নাগরিকদের একক নম্বর দেওয়ার দায়িত্বটি পালন করবে সরকারের জন্ম ও নিবন্ধন রেজিস্ট্রেশন কার্যালয়। জন্ম নিবন্ধনের নম্বর বর্তমানের ১৭ ডিজিটের বদলে স্মার্ট কার্ডের মতো ১০ ডিজিটে নেমে আসবে।
কমিশন সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে তারা যে ১০ ডিজিটের পরিচয়পত্র দিচ্ছে, তা দিয়ে প্রায় ৮৬ কোটি পর্যন্ত একক নম্বর দেওয়া যাবে। এক্ষেত্রে এই একক নম্বর কম করে দেড়শ’ বছর পর্যন্ত পরিবর্তনের প্রয়োজন পড়বে না।

এদিকে ইউআইডি নম্বরটি জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের, নাকি নির্বাচন কমিশনের নিয়ন্ত্রণে থাকবে, সে বিষয়ে এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। তবে বর্তমানের ১০ ডিজিটের ইউআইডি নির্বাচন কমিশনের নিয়ন্ত্রণে থাকায় পুরোটাই তাদের হাতে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। আবার নির্বাচন কমিশনের সম্মতি নিয়ে জন্ম নিবন্ধকের কার্যালয় শূন্য থেকে ১০ বছর পর্যন্ত শিশুকে ১০ ডিজিটের ইউআইডি দিতে পারে। পরে শিশুর বয়স ১০ বছর পার হলে তার নিয়ন্ত্রণ আপনা-আপনি নির্বাচন কমিশনের ওপর বর্তাবে। এ সময় তাদের থেকে বায়োমেট্রিক (১০ আঙুলের ছাপ) ও চোখের মনির প্রতিচ্ছবি নেওয়া হয়। বর্তমানের মতো ওই পরিচয়পত্রে ব্যক্তির পরিচয়ের মৌলিক তথ্য সন্নিবেশ হবে। তবে উপযুক্ত প্রমাণ দাখিলের মাধ্যমে শিক্ষা, বিবাহ, বিবাহ-বিচ্ছেদ, মৃত্যুসহ ব্যক্তির অবস্থানগত পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে তার তথ্যও হালনাগাদের সুযোগ থাকবে।
জানা গেছে, পরিসংখ্যান, স্বাস্থ্য, স্থানীয় সরকারসহ সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো আগে থেকেই যার যার মতো নাগরিকদের নিবন্ধন ও তথ্য সংগ্রহ করে আসলেও এতে দ্বৈততা, অসামঞ্জস্য ও বৈপরীত্যসহ বেশ কিছু সমস্যা ও জটিলতা পরিলক্ষিত হয়। যে কারণে বর্তমান সরকারের বিগত মেয়াদে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের তত্ত্বাবধায়নে নাগরিকের জন্ম, মৃত্যু, মৃত্যুর কারণ, বিবাহ, তালাক, দত্তক, স্থানান্তর ও শিক্ষা সংক্রান্ত ডাটাবেজ সংগ্রহে ‘সিভিল রেজিস্ট্রেশন অ্যাণ্ড ভাইটাল স্ট্র্যাটিসটিকস (সিআরভিএস)’-এর উদ্যোগ নেওয়া হয়। এর অংশ হিসেবে দেশের নাগরিকদের জীবন-প্রবাহের উল্লেখযোগ্য ঘটনাগুলো তথ্য-উপাত্ত আকারে সংরক্ষণ এবং তার ভিত্তিতে সব ধরনের সেবা ও সুযোগ -সুবিধা নিশ্চিত করতে একক আইডি প্রদানের চিন্তা-ভাবনা করা হয়। এই একক আইডি জন্ম নিবন্ধন, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, ভোটার আইডি, বিভিন্ন ধরনের লাইসেন্স প্রাপ্তি, সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী, ঋণগ্রহণ, কর ও ভ্যাট, আইনি সেবা, বিদেশগমন, শ্রমিক সংক্রান্ত সেবা, পুলিশ সংক্রান্ত সেবাসহ অন্যান্য সরকারি ও বেসরকারি সব ক্ষেত্রে ব্যবহারের সুযোগ থাকবে।
জানা গেছে, কেবিনেট ডিভিশন সিআরভিএস সচিবালয় গঠনের মাধ্যমে গত কয়েক বছর ধরে এই একক পরিচয় নম্বর প্রদানের কাজটি এগিয়ে নেওয়ার কাজ করছে। সর্বশেষ ৩০ আগস্ট তারা নির্বাচন কমিশন সচিবালয়, জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধকের কার্যালয়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন এ টু আই প্রকল্প, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, সমাজকল্যাণসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি যৌথ সভা করেছে। ওই সভায় নাগরিকদের একক আইডি প্রদানের কাজটি এগিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।
বৈঠকে অংশ নেওয়া নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধি ও কমিশনের নিবন্ধন অনুবিভাগের পরিচালক (অপারেশন্স) আবদুল বাতেন বলেন, ‘নাগরিকদের ইউআইডি প্রদানে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক হয়েছে। সেখানে কাজটি দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘কাজটি সম্পন্ন করতে যার যার মন্ত্রণালয় তার নিজস্ব দায়িত্ব পালন করবে। তবে এর ডাটা সেন্টারটি কোন সংস্থার নিয়ন্ত্রণে থাকবে, সেই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।নির্বাচন কমিশন যেহেতু ১০ কোটি ভোটারের ইউআইডি নিয়ন্ত্রণ করছে, ফলে আমাদের হাতেই এটা থাকার সম্ভাবনাই বেশি।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সব নাগরিককে ইউআইডি প্রদানের কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) এম এন জিয়াউল আলম বলেন, ‘দেশের ভোটারদের নতুন ১০ ডিজিটের যে স্মার্ট কার্ড দেওয়া হয়েছে, ওটাই তাদের ইউআইডি। আর ভোটারের বাইরে যারা রয়েছে, তাদেরও ওই আইডির নম্বরের ধারাবাহিকতায় একক পরিচয়পত্র দেওয়া হবে। এছাড়া, জন্ম নিবন্ধনের এখন যে ১৭ ডিজিটের আইডি দেওয়া হচ্ছে, সেটাও পরিবর্তন করে ১০ ডিজিটের ইউআইডি দেওয়া হবে।’

দেশের সব নাগরিকের একটি নির্দিষ্ট ইউনিক নম্বরে পরিচয়সহ সমন্বিত সেবা প্রদান ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে এই ইউআইডি দেওয়া হচ্ছে বলেও তিনি জানান।
তথ্যসূত্র: বাংলা ট্রিবিউন
জেনে নিন ঢাকার কোন মার্কেটে কি কি পাওয়া যায় ?

জেনে নিন ঢাকার কোন মার্কেটে কি কি পাওয়া যায় ?

ঢাকা বাংলাদেশের প্রাণকেন্দ্র । ঢাকার বিভিন্ন স্থানে বড় বড় পাইকারী ও খুচরা মার্কেট ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে । এর এক একটি মার্কেট বিভিন্ন ধরণের পণ্যের জন্য বিখ্যাত । আজ আমরা আপনাদের জন্য এই লেখাটা সাজিয়েছি একটু অন্যরকম ভাবে । ভাবছেন সেই অন্যরকমটা আবার কিরকম ? তাহলে পরেই ফেলুন একবার ।

ঢাকার মার্কেটসমূহঃ

ঢাকার মার্কেট গুলোর মধ্যে গুরুত্বের দিক বিবেচনায় কারওয়ান বকেট, মিরপুর এবং নিউমার্কেটকে এগিয়ে রাখছি । চলুন দেখেই নেয়া যাক এর পেছনের কারন গুল কি কি । আমার সাথে অনেকের মতভেদ থাকতেই পারে । তবে প্রথমেই আমরা জেনে নেই কোন কোন
কারওয়ান বাজার :
ঢাকা শহরের সবচেয়ে বড় কেন্দ্রীয় পাইকারী ও খুচরা বাজারের নাম কারওয়ান বাজার । অনেকেই এই বাজারকে কাওরান বাজার বললেও এর নাম আসলে কারওয়ান বাজার ।ঢাকা শহরের অন্যতম বাণিজ্যিক এলাকা হিসেবে কারওয়ান বাজারে অনেক বড় বড় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। দ্য ডেইলি স্টার (বাংলাদেশ), দৈনিক প্রথম আলো, দি ইন্ডিপেন্ডেন্ট এবং আরও অনেক খবরের কাগজের প্রধান অফিস কাওরান বাজারে অবস্থিত। এছাড়াও একুশে টেলিভিশন, এনটিভি, এটিএন বাংলা, এটিএন নিউজ বাংলাভিশন আরটিভি টেলিভিশনের প্রধান কার্যালয় এবং স্টুডিও কাওরান বাজারে অবস্থিত। তাছাড়া দেশের সবচেয়ে বড় সবজি বাজার এবং মাছের বাজারতো এখানেই । এফ ডি সি ও এই কাওরান বাজারে অবস্থিত ।


বঙ্গবাজার :
বিদেশি ক্রেতা ও তাদের স্থানীয় প্রতিনিধিদের যোগান দেওয়া কাঁচামাল ব্যবহারের পর দেশের পোশাক শিল্প প্রতিষ্ঠানের কাছে যত কাপড়, সুতা, বোতাম, জিপার ইত্যাদি অতিরিক্ত থাকে মূলত সেগুলি দিয়ে তৈরি বলে বঙ্গবাজারের পোশাক দামে সস্তা হয়। গেঞ্জি, প্যান্ট, শার্ট সলিড কালার: তৈরি পোশাক (জামা, প্যান্ট, জ্যাকেট, সোয়েটার, গেঞ্জি, জাঙ্গিয়া ইত্যাদি), পাদুকা সামগ্রী এবং শাড়িও এখানে কম দামে কিনতে পারবেন । এখানে যেকোনো পণ্য খুচরা ও পাইকারি দামে বিক্রয় হয়।


স্টেডিয়াম মার্কেট :
নতুন পুরাতন মোবাইল, কম্পিউটার ও অন্যান্য ইলেক্ট্রনিক্স বঙ্গবন্ধু জাতীয় ষ্টেডিয়ামে দেশের নামকরা ইলেক্ট্রনিক্স মার্কেট অবস্থিত। এখানে প্রায় ৭৫০-৮০০ টি ইলেক্ট্রনিক্সের দোকান রয়েছে। প্রতিদিন সকাল ৯.০০ টা থেকে রাত ৮.০০ টা পর্যন্ত মার্কেট খোলা থাকে। শুক্রবার মার্কেটটি বন্ধ রাখা হয় । যা যা পাওয়া যায় এই মার্কেটে -
এয়ার কন্ডিশনার, রেফ্রিজারেটর, কালার টেলিভিশন (লিড, এলসিডি ও সিআরটি), মাইক্রোওয়েভ ওভেন, ওয়াশিং মেশিন, রাইস কুকার, টোস্টার, সিলিং ফ্যান, ওয়াটার ফিল্টার, আয়রন, ষ্টীল ক্যামেরা, মুভি ক্যামেরা, মোবাইল ফোন, চার্জার, মেমোরী কার্ড, টিভি কার্ড, ডিস এন্টেনা, রিসিভার, ভিসিডি প্লেয়ার, ডিভিডি প্লেয়ার, সিসি টিভি, নিরাপত্তা সরঞ্জাম এবং গ্যাসের চুলা পাওয়া যায়।
নবাবপুর :
ফেব্রিকস, গার্মেন্টস এক্সেসরিজ, কৃষি যন্ত্রপাতি, শিল্প যন্ত্রপাতি, ইলেকট্রনিকস সামগ্রী ইত্যাদির জন্য খুবই ভাল এই মার্কেটটি ।
বায়তুল মোকাররম মার্কেট :
এ মার্কেটে বিভিন্ন পণ্য পাওয়া যায় বলে কোন বিশেষায়িত মার্কেট বলার সুযোগ নেই। দোতলায় দেশের প্রসিদ্ধ বিভিন্ন জুয়েলারী দোকান রয়েছে। ক্যামেরা, সিডি, ডিভিডি প্লেয়ার, টিভিসহ বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক্স পণ্য পাওয়া যায় এখানে।
ব্যাগ, ল্যাগেজ, ঘড়ি, চশমা, ক্রোকারিজ, জামা-কাপড়, জুতা, খেলনা ইত্যাদির দোকানও রয়েছে। নিচতলায় নেমপ্লেট লেখার ব্যবস্থা রয়েছে। এই মার্কেটে ইসলামী ফাউন্ডেশন এর বই বিক্রয় কেন্দ্রসহ কয়েকটি আতর, টুপি, পাঞ্জাবী, বোরকা, জায়নামাজ প্রভৃতির দোকানও রয়েছে। এছাড়া মসজিদ প্রাঙ্গণে ইসলামী বই, সিডি, ডিভিডি প্রকৃতিও বিক্রি হয়।
ধোলাইখাল :
সব ধরণের নতুন পুরাতন ইলেক্ট্রনিক্স ও ধাতব যন্ত্রপাতি ধোলাইখালে পাওয়া যায় । ধোলাইখাল নামটিতে খাল শব্দটি থাকলেও এখানে এলে কোন খাল কিংবা জলাশয় খুঁজে পাওয়ার সম্ভাবনা নেই। পুরনো ঢাকায় নবাবপুর রোডের মোড় থেকে শুরু করে নারিন্দা পর্যন্ত এর বিস্তৃতি। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর পরই ধোলাইখালে পুরোনো যন্ত্রাংশের ব্যবসা শুরু হয়। এখানে ছোট বড় মিলিয়ে প্রায় হাজার পাঁচেক খুচরা যন্ত্রাংশের দোকান রয়েছে। মোটর পার্টসের দোকান ছাড়াও এখানে রয়েছে ড্রাম শিট, লেদ মেশিন, পুরনো লোহা লক্কড়ের দোকান।
রিকন্ডিশন্ড এই খুচরা যন্ত্রাংশগুলো তারা আমদানি করে জাপান, চীন, মধ্যপ্রাচ্য, পাকিস্তান, সিঙ্গাপুর থেকে। এখানে প্রায় সব মডেলের গাড়ির বিশেষ করে টয়োটা, নিশান, হোন্ডা, মিৎসুবিশি, সুজুকি, মারুতির যন্ত্রাংশ বেশি পাওয়া যায়। বাস এবং ট্রাকের মধ্যে বেড ফোর্ড, ইসুজু, নিশান, হিনো, ভলভো, টাটা, অশোক লেল্যান্ড, টারসেল, আইয়ার, ক্যান্টার প্রভৃতি গাড়ির যন্ত্রাংশ পাওয়া যায়। যন্ত্রাংশের দাম জেনে রাখুন : আগেই বলা হয়েছে, যন্ত্রাংশের দাম সম্পর্কে ধারণা না থাকলে এ বাজারে ক্রেতাকে পড়তে হতে পারে বিপাকে। সেক্ষেত্রে দাম জেনে রাখা ভালো।
যেমন; সেলফ ১৫শ’ থেকে ২ হাজার ৫শ’, ডায়নামো ১৫শ’ থেকে ২ হাজার, ডিস্ট্রিবিউটর ২ হাজার থেকে ৫ হাজার, কার্বোরেটর ২ হাজার ৫শ’ থেকে ৬ হাজার, ফ্যান মটোর ১ হাজার থেকে ২ হাজার ৫শ’, রেডিয়েটর ২ হাজার ৫শ’ থেকে ৭ হাজার, গিয়ার বক্স ২ হাজার থেকে ৭ হাজার, ইঞ্জিন ব্লক ১৫শ’, থেকে ৩ হাজার, পিস্টন সেট ১ হাজার থেকে ২ হাজার ৫শ’ বাল্ব সেট ৫শ’ থেকে ১৫শ’ ক্লাচ প্লেট ৫শ’ থেকে ১ হাজার, প্রেশার প্লেট ১ হাজার ৫শ’ থেকে ২ হাজার, অয়েল পাম্প ১ হাজার ৫শ’ থেকে ২ হাজার, এসি পাম্প ৫শ’ থেকে ৮শ’, প্লাগ ১ হাজার থেকে ৩ হাজার, ইঞ্জিন পুুলি ৫শ’ থেকে ১ হাজার ৫শ’, মবিল চেম্বার ৫শ’ থেকে ১ হাজার। এখানে ইঞ্জিনও পাওয়া যায় বিভিন্ন মডেলের। যেমন; হানড্রেড ভাইভ এ ৩০ হাজার, ফোর ই ২৭ হাজার, নাইন টি ৫০ হাজার, নাই টি ফাইভ এ ৩০ হাজার, ফাইভ কে লাইটএজ ৬০ হাজার, ক্রাউন এক্স ১ লাখ, কোরোনা ফোর এক্স এ্যান্ড থ্রি এক্স ৩৫ হাজার টাকার কম নয়।

যেভাবে ধোলাইখালে পৌঁছাবেন -
গুলিস্তান থেকে ধোলাইখালে রিকশায় আসতে খরচ হয় ১২ থেকে ১৫ টাকা এবং বাসে খরচ ২ টাকা। মতিঝির থেকে ধোলাইখালের অবস্থান দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে। মতিঝিল থেকে এখানে বাসে আসা না গেলেও নিকশায় আসা যায় সহজেই। মতিঝিল থেকে ধোলাইখালের রিকশা ভাড়া ১৫-২০ টাকা। সদরঘাট থেকে পায়ে হেঁটে এখানে আসতে সময় লাগে পনের মিনিট ও রিকশায় খরচ হয় ৮ টাকা।
মতিঝিল :
ঢাকা শহরের প্রধান বানিজ্যিক এলাকা। এটি ঢাকা শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত। এখানে রয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক, সোনালী ব্যাংক জনতা ব্যাংক সহ বহু প্রতিষ্ঠানের মূল কার্যালয় ।
জিঞ্জিরা :
নতুন পুরাতন ইলেক্ট্রনিক্স ও ধাতব যন্ত্রপাতি। জিঞ্জিরায় তিনটি পৃথক এলাকায় তৈরি করা পণ্যের নামানুসারে তিনটি স্থান আছে। যেখানে গড়ে উঠেছে বিভিন্ন কারখানা। তাওয়াপট্টিতে আছে ছোট-বড় প্রায় ৭০০ হালকা শিল্প-কারখানা আর এখানে মূলত তৈরি হয় গ্রিল কারখানা, তালা, ছাতার জালা, কব্জা, পাওয়ার প্রেস, প্লেঞ্জার, কেলাম, শিট, কয়েল, ওয়াশার, নাট-বোল্ট, স্ক্রু, তারকাঁটা, তোপকাটা, বালতি, অ্যালুমিনিয়ামের হাঁড়ি-পাতিল, কড়াই ইত্যাদি। টিনপট্টিতে তৈরি হয় টিন, শিট, কয়েল। এখানে ১৫-২০টি কারখানা আছে। তবে এর বাইরেও কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে বিদেশ থেকে আমদানিকৃত সেকেন্ডারি শিট মজুদ এবং গোপনে ঢেউটিন তৈরির কাজ হয়। এ প্রতিষ্ঠানগুলো করোগেশন মেশিনে দিন-রাত আমদানিকৃত জিপি শিট কেটে ঢেউটিন তৈরি করে বাজারে বিক্রি করে থাকে। জিঞ্জিরার বৈশিষ্ট্য হলো এখানে খুব স্বল্পমূল্যের সামগ্রী ব্যবহার করে কারিগরেরা তৈরি করতে পারেন মানসম্পন্ন অনেক পণ্য। এমনকি তাঁদের দাবি মাত্র ২০-৩০ হাজার টাকা মূল্যমানের যন্ত্রে যে প্লেনশিট থেকে যে ঢেউটিন তাঁরা তৈরি করতে পারেন, তার গুণগত মান যথেষ্ট ভালো। তবে এর সত্যতা নিশ্চিত করার মতো কোনো প্রামাণিক দলিল পাওয়া যায়নি। লোহার সামগ্রী তৈরিতে জিঞ্জিরার বিশেষ সুনাম রয়েছে। ২০১১ খ্রিস্টাব্দে জিঞ্জিরা বাজারে প্রায় দুশো'রও অধিক বিভিন্ন লোহার সামগ্রী তৈরির কারখানা রয়েছে, যা দেশের অভ্যন্তরীণ হার্ডওয়্যার শিল্পের বিশাল যোগান দেয় বলে অভিমত রয়েছে। জিঞ্জিরার কারখানায় উৎপাদিত বিভিন্ন সামগ্রীর মধ্যে ঢেউটিন, স্ক্রু, নাট-বল্টু, ক্লাম, তারকাটা, জিআই তার, আলতালা, হ্যাসবোল্ট, কব্জা, দা-বটি, শাবল, বালতি, চাপাতি, কুড়াল, কোদাল, কুন্নি, বিভিন্ন বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম, ডেকোরেটর সামগ্রী, ওয়াশিং টব, পিতলের বার্নার(কেরোসিন চুলা), তামা ও পিতলের ডেগ, কলসি, ক্রোকারিজ, তাওয়া, টিফিন ক্যারিয়ার, চাইনিজ সাইলেন্সার/ডাব্বু, আশকল ডুম্বরি, নিক্তিকাঁটা, সাটার, কেচি গেট, লোহার জানালা, দরজা, অ্যালুমিনিয়ামের জগ-মগ ইত্যাদি অন্যতম।
জিঞ্জিরা লোহার বিভিন্ন সামগ্রী ছাড়াও মেলামাইন, আলকাতরা, নারিকেল তেল, শাড়ি-লুঙ্গি ইত্যাদির জন্য প্রসিদ্ধ। এছাড়া জিঞ্জিরার কালিগঞ্জ দেশীয় গার্মেন্টস সামগ্রী, বিশেষত জিন্স প্যান্ট তৈরিতে সুনাম অর্জন করেছে। দেশীয় বাজারের জিন্সের প্রায় ৮৫ শতাংশ চাহিদা কালিগঞ্জ থেকে পূরণ হয় বলে স্থানীয়দের অভিমত পাওয়া যায়। এর পাশাপাশি রোহিতপুরের লুঙ্গি, জয়পাড়ার শাড়িও বিশেষ উল্লেখযোগ্য।এছাড়াও এই অঞ্চলে ভারত, জার্মানী,মালয়েশিয়া থেকে আনা কাঁচামালনির্ভর প্লাস্টিক সামগ্রী তৈরির কারখানা গড়ে ওঠে।
পাটুয়াটুলি, পূরান ঢাকা :
পুরান ঢাকায় পাটুয়াটুলি রোড (রোড এর দুই পাশ ইলেক্ট্রনিক্স মার্কেট) জগন্নাথ বিঃ এর এর পর সদরঘাট এর আগে যদি আপনি গুলিস্তান থেকে সদরঘাট এর দিকে যান ইলেক্ট্রনিক এর মার্কেট আছে, স্টেডিয়াম এর চেয়ে অনেক বেশি সমৃদ্ধ।

চকবাজার :
পুরোন ঢাকার লালবাগে অবস্থিত একটি জনপ্রিয় বাজার। রমজান মাসে রকমারি এখানে রকমারি ইফতারের পশরা বসে। কাবাবের কথা আসলেই চকবাজারের নামটিও আসবে। চকবাজারের কাবাব খুব বিখ্যাত। ঢাকার পুরানো বাজারগুলির মধ্যে চকবাজার অন্যতম।
নিমতলী পেট মার্কেট :
পশু পাখির বাচ্চা, খাবার পানির পাত্র, খামারের যন্ত্রপাতি ব্রুডার ইত্যাদি।
শ্যামবাজার :
ঢাকার অন্যতম পুরাতন বাজার। এটা ব্রিটিশ শাসনামল থেকে ঢাকাবাসীর বিভিন্ন দ্রব্যের যোগান দিয়ে আসছে। বর্তমানে ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের তত্ত্ববধানে বাজারটি পরিচালিত হচ্ছে। সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল থেকে পূর্ব দিকে ৮ – ১৫ গজ দূরে শ্যমবাজারের সীমানা শুরু। এই বাজারে সাধারণত ফজর নামাযের পর থেকে সকাল ১১.০০ টা পর্যন্ত বেশী ভিড় হয়। কোন সাপ্তাহিক বন্ধ নেই এবং প্রতিদিন ভোর বেলা থেকে রাত ৮.০০ টা পর্যন্ত স্বাভাবিক লেনদেন হয়ে থাকে। সাধারণত প্রায় দৈনন্দিন খাদ্য তালিকার সব কাঁচা বাজার ও ফলমূল পাওয়া যায়। যেমন – আলু, পেঁয়াজ, মরিচ, বেগুন, মাছ, সবজি, পটল, করলা ইত্যাদি। আর ফলমূল এর মধ্যে রয়েছে – আম, জাম, কলা, লিচু, তেঁতুল, আনারস, পেয়ারা ইত্যাদি। এছাড়া তেল, লবণ, মসলাও পাওয়া যায়। বাজারের বিভিন্ন ধরনের ভাগ আছে। যেমন – ১নং রোডে বুড়িগঙ্গা নদীর পাড় ঘেঁষে রয়েছে আম, কাঁঠাল, লিচু এবং অন্যান্য ফল আর নদীর পাড়ের রাস্তার বিপরীত পাশে পাওয়া যায় আলু, পেঁয়াজ, আদা, রসুন ইত্যাদি। মূল বাজারের মাঝামাঝি ও নদীর পাড় ঘেঁষে বিভিন্ন রকম শাক-সবজির বাজার বসে।

এলিফ্যান্ট রোড :
জুতা, ব্যাগ, সিরামিকস/চীনামাটির বাসনপত্র, কাপড়, পর্দা, দর্জা জানালার পর্দা, বেডিং সামগ্রী নতুন পূরাতন কম্পিউটার, ক্রয় বিক্রয় ও মেরামত।
ইষ্টার্ণ মল্লিকা, এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা
পণ্য-সামগ্রীর বিবরন -
প্রথম তলায় পাবেন কসমেটিক্স, গিফট শপ, ক্রোকারিজ, এশিয়ান স্কাই শপ এবং খাবারের দোকান ইত্যাদি। দ্বিতীয় তলায় পাবেন মহিলাদের শাড়ী, থ্রী পিছ  ও লেডিস টেইলার্স ইত্যাদি।
তৃতীয় তলাতেও মেয়েদের শাড়ী, লেডিস টেইলার্স ও থ্রী পিছ পাওয়া যায় । একটু দাম করে নিলে ভাল কিছুই পাবেন কমদামে ।
চতূর্থ তলা - পাইকারী শাড়ী, লেডিস টেইলার্স ও থ্রী পিছ ইত্যাদি।
পঞ্চম তলা - মোবাইল শপ, এক্সেসরিজ ইত্যাদি।
কাঁটাবন :
ইসলামি বইপত্র, সিডি, বোরখা, হিজাব, সুগগ্ধি, অ্যাকুরিয়াম পাখি, কোম্পানি নেমপ্লেট,সাইনবোর্ড ব্যানার প্রিন্ট ব্রান্ডিং সামগ্রী

মাল্টিপ্লান :
কম্পিউটার কিংবা ইলেক্ট্রনিক্স পণ্য কিনতে চান ? তাহলে আজই চলে যান মাল্টিপ্লানে । কারণ কম্পিউটার, ইলেক্ট্রনিক্স এবং ক্যামেরা সামগ্রীর বৃহৎ মার্কেট এই মাল্টিপ্লান ।

নিউমার্কেট :
নিউমার্কেট ঢাকার ক্রেতাদের চাহিদা মিটিয়ে ঢাকার বাইরের ক্রেতাদেরও আকর্ষণ করে তার পণ্যের সমাহার গুণে। মার্কেটটি আজিমপুরে অবস্থিত, যার পূর্বদিকে রয়েছে মিরপুর রোড, উত্তরে ঢাকা কলেজ, পশ্চিম পার্শ্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা এবং দক্ষিণে পিলখানা রোড। মার্কেটটির পাশেই খুচরা দোকানের একটি কেন্দ্র আছে। সেখানে কাপড়-চোপড়, ঔষধ, টয়লেট সামগ্রী ও গৃহস্থালি ব্যবহারের টুকি-টাকি দ্রব্যাদি বিক্রয় হয়। এছাড়া, বেশ কয়েকটি দোকানে বিক্রয় হয় প্রসাধনী সামগ্রী, স্যুভেনির ও শোপিস সামগ্রী, তৈজসপত্র, হালকা বৈদ্যুতিক দ্রব্য ও আসবাবপত্র।

মার্কেটটির উত্তর দিকে মুদির দোকান এবং মাছ, মাংস, ফল-মূল ও সবজির বাজার রয়েছে। আজকের দিনে ‘নিউমার্কেট’ বলতে ভিতরে এবং বাইরে বৈচিত্র্যপূর্ণ দোকানের এক বিপুল সমাহারকে বোঝায়। মূল মার্কেটে তিনটি উঁচু খিলানযুক্ত প্রবেশদ্বার রয়েছে, ভিতরে আছে বই-পত্র ও লেখা-লেখির সামগ্রী, ঘড়ি, চশমা, চামড়ার সামগ্রী ও ভ্রমণের উপকরণাদি, মুদি দ্রব্যাদি, কাপড়-চোপড়, অলঙ্কার ও বৈদ্যুতিক দ্রব্যাদি এবং দরজি, ফাস্টফুড ও ছবি তোলা ও প্রসেসিং-এর দোকান। দোকানগুলির সামনে একটা আচ্ছাদিত টানা বারান্দা রয়েছে। মার্কেটটিতে মোট ৪৬৮টি দোকান রয়েছে এবং বাজার করতে আসা ক্রেতারা এখানে তাদের চাহিদা অনুযায়ী প্রায় সব জিনিস-পত্রই পেয়ে থাকে ।

গাউসিয়া মার্কেট :
নিউমার্কেটের বিপরীতে, পোশাক সামগ্রী, জুতা এবং লেডিস ব্যাগ এর জন্য বিখ্যাত এই গাউসিয়া মার্কেট । এই মার্কেটে তুলনামুলক কম দামে  পোশাক সামগ্রী, জুতা এবং লেডিস ব্যাগ পাওয়া যায় ।
পণ্য-সামগ্রীর বিবরন -
প্রথম তলা - মহিলাদের রেডিমেড বিভিন্ন রকমের পোষাক, শাড়ী, থ্রী-পিস, ওড়না, কসমেটিক্স, শাড়ীর জরি, চুমকি, লেইস, জুতো/স্যান্ডেল (মেয়েদের জন্য), ব্যাগ ইত্যাদি।
দ্বিতীয় তলা - মহিলাদের রেডিমেড বিভিন্ন রকমের পোষাক, শাড়ী, থ্রী-পিস, ওড়না, কসমেটিক্স, শাড়ীর জরি, চুমকি, লেইস, জুতো/স্যান্ডেল (মেয়েদের জন্য), ব্যাগ, লেডিস টেইলার্স, বুটিক শপ ইত্যাদি।
তৃতীয় তলা - শাড়ী এবং থ্রী পিসের পাইকারী দোকান ইত্যাদি।
চতূর্থ তলা - বিবাহের সামগ্রী, বুটিক এবং এম্ব্রোয়ডারী শপ ইত্যাদি।
চন্দ্রিমা সুপার মার্কেট :
নিউমার্কেটের উত্তরে অব্থিত পোশাক সামগ্রীর জন্য বিখ্যাত।

নীলক্ষেত :
ঢাকা শহরের স্কুল, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী এবং তাদের অভিভাবকদের নিকট নীলক্ষেত অত্যন্ত পরিচিত এবং অতি প্রয়োজনীয় মার্কেট। স্কুল, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের কাছেও এ মার্কেট গুরুত্ব বহন করে। কেননা, দেশি-বিদেশি বিভিন্ন লেখকদের বই তথা প্রয়োজনীয় সকল বই-পত্রের জন্য নীলক্ষেত বই মার্কেটের বিকল্প নেই ঢাকা শহরতো বটেই, সারা দেশেও। বইয়ের মার্কেটের ক্ষেত্রে নীলক্ষেত বই মার্কেট তাই একচ্ছত্র আধিপত্য ভোগ করছে। এখানে বইয়ের পাশাপাশি ফটোকপির দোকান, বাইন্ডিং অর্থাৎ বাঁধাইয়ের দোকান, কম্পিউটারে বিবিধ কাজ করার দোকান, ছাপাখানা, সাইবার ক্যাফে, অটো ক্যাড প্রিন্টিংয়ের দোকান, টেইলার্সের দোকান ও খাবার দোকান অবস্থিত। ৫ টি মার্কেটের সমন্বয় হচ্ছে নীলক্ষেত বই মার্কেট এখানে নতুন ও পুরাতন বোর্ড বই, রেফারেন্স বুক, ম্যাগাজিন প্রভৃতি সকল ধরনের বই পাওয়া যায়।

মোতালেব প্লাজা, হাতির পুল :
মোবাইল ফোন সামগ্রী বিক্রয় মেরামত ও পাইকারি বিক্রয় শপিং মলটি আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন, এস্কেলেটর সুবিধা, নিজস্ব স্ট্যান্ডবাই জেনারেটর সুবিধাসহ শীতাতপ নিয়ন্ত্রীত এবং টাইলস সজ্জিত নতুন ভবনে অবস্থিত। এখানে মোট দোকান সংখ্যা ১২০০ টি। মালিক সমিতি কর্তৃক শপিং মলটি পরিচালিত হয়।
পণ্য-সামগ্রীর বিবরন -
প্রথম তলা - প্রসাধনী সামগ্রী, ইলেক্ট্রনিক্স, ফার্ণিচার, কুরিয়ার সার্ভিস, স্কাই শপ ইত্যাদি।
দ্বিতীয় তলা - শাড়ী এবং সেলোয়ার কামিজ, গয়না ইত্যাদি।
তৃতীয় তলা - বিভিন্ন পণ্যের দোকান ইত্যাদি।
চতূর্থ তলা - মোবাইল এক্সেসরিজ এর পাইকারী দোকান ইত্যাদি।
পঞ্চম তলা - মোবাইল শপ ইত্যাদি।
বিসিএস কম্পিউটার সিটি :
বেগম রোকেয়া স্বরণী, আগারগাঁও, শেরে বাংলা নগর, ঢাকা – ১২০৭। ২০০০ ইং সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। শপিং মলটি আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন, নিজস্ব স্ট্যান্ডবাই জেনারেটর সুবিধাসহ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত এবং টাইলস সজ্জিত নতুন ভবনে অবস্থিত। মার্কেটটিতে মোট দোকানের সংখ্যা ৩৫০ টি। মার্কেট মালিক কর্তৃপক্ষ কর্তৃক শপিং মলটি পরিচালিত হয়। এটি দেশের বৃহত্তম কম্পিউটার মার্কেট।
ভবনের বিবরন -
প্রথম তলা - কম্পিউটার যন্ত্রাংশ ও কম্পিউটার সার্ভিসিং এর দোকান।
দ্বিতীয় তলা - কম্পিউটার যন্ত্রাংশ, সার্ভিসিং, ক্যামেরা, মোবাইল এবং ল্যাপটপ এর দোকান।
তৃতীয় তলা - বিভিন্ন ধরনের সিডির দোকান, ল্যাপটপ এবং আইপডের দোকান।
চতুর্থ তলা - খাবারের দোকান, নামাজের জায়গা এবং কম্পিউটার সামগ্রীর দোকান।
হাতিরপুল বাজার :
সিরামিক টাইলস, ফিটিংস সামগ্রী, কাঁচাবাজার,ইত্যাদি।
আজিজ সুপার মার্কেট,শাহবাগ :
পোশাক সামগ্রী,কারুপন্য, হস্তশিল্পর জন্য বিখ্যাত।
গাউসুল আজম মার্কেট :
নীলক্ষেত পুলিশ ফাঁড়ির সাথে অবস্থিত। এখানে রয়েছে ২০০ এর অধিক দোকান। এখানে যে সব সুবিধা পাওয়া যায়- ফটোকপি, সাইবার ক্যাফে, মুদ্রন ও প্রিন্টিং, টেইলার্স, ছবি বাঁধাইয়ের দোকান, কম্পিউটারের বিভিন্ন কাজ। রাস্তার সামনের অংশটিকে সিটি কর্পোরেশন মার্কেট বলা হয়। এখানে রয়েছে খাবার দোকান, ফটোকপির দোকান A3, A4 অটো ক্যাড প্রিন্টিং এর দোকান।

ইস্টার্ন প্লাজা :
১ম তলা - প্রসাধনী, ইলেকট্রনিক, থালা বাসন ইত্যাদির দোকান।
২য় তলা - শাড়ী, সেলয়ার কামিজ, টি-র্শাট, টেইলার্স ইত্যাদির দোকান।
৩য় তলা - গয়না, সোনা, রূপা, ছোট বাচ্চাদের খেলনার দোকান।
৪র্থ তলা - জুতার দোকান, বিভিন্ন ব্রান্ডের জুতার দোকান।
৫ম তলা - মোবাইলের দোকান, এবং মোবাইল সার্ভিসিং করার দোকান।
৬ষ্ট তলা - মার্কেট মালিক সমিতি অফিস।
৭ম তলা - ডাক্তার চেম্বার।
৮ম তলা - ডাক্তার চেম্বার, অফিস।
৯ম তলা - ঘটক পাখি ভাই।
ফার্মগেট :
বিভিন্ন কোচিং প্রতিষ্ঠান, কৃষি সামগ্রী, যন্ত্রপাতি, বইপত্র, কমদামী কাপড়, জুতা ইত্যাদি।
পান্থপথ :
কোচিং, আইটি প্রতিষ্ঠান, কাঠ, প্লাইউড, বেত, স্টিলের ফার্নিচার, অফিস কেবিনেট সামগ্রী ।
বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্স :
LEVEL BLOCK NAME OF ITEMS -
LEVEL - 01 :
A,D READYMADE GARMENTS & WATCH SHOP
B ELECTRICAL & ELECTRONICS
C COSMETI CS & OTHERRS
LEVEL - 02 :
A,B,C & D READYMADE GARMENTS & OTHERS

LEVEL - 03 :
A YARDAGE, SHIRTING & SUITING
B COSMETICS
C & D READYMADE GARMENTS & OTHERS
LEVEL - 04 :
A,B,C&D SHAREE, EXCLUSIVE LADIES FASHION, LASER AESTHETICS CLINIC
LEVEL - 05 :
A,B,C&D JWELEARY, OPTICS, WATCH & ELECTRONICS & DENTAL CLINIC
LEVEL - 06 :
A STATIONARY, BOOKS SHOP, CARDS & ART GALLERY, PHOTO-STUDIO & PERFUME WORLD ANTIQUE STUDIO, GIFT SHOP,
COOKERIES, KITCHEN APPLIANCES, CARPETS, MATS, DRAPERIES,
B COMPUTER, ELECTRICAL & ELECTRONICS
C SHOES & LEATHER ITEMS
D COMPUTER, ELECTRICAL & ELECTRONICS
LEVEL - 07 :
A DESHI DOSH, MANTRA (GARMENTS ITEM)
B BATA, MENZ KLUB
C ECSTASY, INFINITY, MENZ KLUB (GARMENTS ITEM)
D WESTECS, APEX, FREELAND( GARMENTS & SHOES)
LEVEL - 08 :
FOOD COURT, SPORTS, TOYS
MULTI SCREEN CINEMA & THEME PARK ETC.

মগবাজার :
বিভিন্ন অফিস, প্রেস, পুস্তক প্রকাশনীর জন্য বিখ্যাত।

মৌচাক মার্কেট :
পণ্য-সামগ্রীর বিবরন -
১ম তলা - ফাস্টফুড ও কিছু জুয়েলারী সামগ্রী
২য় তলা - জুয়েলারী সামগ্রী
৩য় তলা - প্লাস্টিক সামগ্রী, কিছু রেডিমেড পোষাক
৪র্থ তলা - মহিলাদের রেডিমেড বিভিন্ন রকমের পোষাক, শাড়ী, থ্রী-পিস, ওড়না, কসমেটিক্স, শাড়ীর জরি, চুমকি, লেইস, জুতো/স্যান্ডেল (মেয়েদের জন্য), ব্যাগ ইত্যাদি।
৫ম তলা - মসজিদ এবং ইউরো গার্ডেন চাইনীজ রেষ্টুরেন্ট।
বেনারশী পল্লী :
বেনারশী পল্লী একসময় শুধুমাত্র বেনারশী শাড়ির জন্যই বিখ্যাত ছিল। গত বছর কয়েক ধরে মিরপুর বেনারশী পল্লিতে বেনারশী শাড়ি ছাড়াও অন্যান্য সব ধরনের শাড়ি পাওয়া যায়।

বেনারশী শাড়ি - Old + New, টাঙ্গাইল তাঁতের শাড়ি (কটন), টাঙ্গাঈল হাফ সিল্ক, রাজশাহী সিল্ক, ধুপিয়ান, ঢাকাই মসলিন, কাতান, কোটা শাড়ি, ব্রোকেট শাড়ি, জামদানী শাড়ি, জর্জেট শাড়ি ইত্যাদি। এ ছাড়াও আরো নতুন নতুন কালেকশন পল্লীতে তৈরী হচ্ছে।

গুলিস্তান :
সবধরণের কাপড়, জুতা, ইলেক্ট্রনিক্স সামগ্রীসহ সব ধরণের জিনিসপত্র পাওয়া যায় এখানে ।

যমুনা ফিউচার পার্ক :
বিশ্বের তৃতীয় এবং এশিয়ার সর্ববৃহৎ শপিংমল হিসেবে পরিচিত “যমুনা ফিউচার পার্ক”। রাজধানীর কুড়িলে অবস্থিত এই শপিং কমপ্লেক্সটিতে সকল ধরনের কেনাকাটা ও বিনোদন সুবিধা রয়েছে। প্রগতি সরণি থেকে ফিউচার পার্ক প্রাঙ্গণে প্রবেশ করলে প্রথমেই পড়ে আউটডোর রাইডস। সারা পৃথিবীতে তোলপাড় করা ছয়টি রোমাঞ্চকর রাইড রয়েছে এখানে। বর্ণিল আলোকছটায় উদ্ভাসিত ফিউচার পার্কের এই আউটডোর রাইডসের রোলার কোস্টার, স্কাইড্রপ, ম্যাজিক উইন্ডমিল, পাইরেট শিপ, ফ্লাইং ডিসকো ও টাওয়ার চ্যালেঞ্জার রীতিমতো শিহরণ জাগানিয়া। প্রথম তলার পুরোটাই গাড়ি পার্কিং এর জন্য নির্ধারিত। অন্যান্য ফ্লোরগুলো পণ্যের ক্যাটাগরী ভিত্তিক বিন্যাস করা হয়েছে। প্রতিটি ফ্লোরকে “দক্ষিণ-পশ্চিম”, “উত্তর-পশ্চিম”, “দক্ষিণ-পূর্ব” ও “উত্তর-পূর্ব” অংশে ভাগ করা হয়েছে। প্রতিটি ভাগে নির্দিষ্ট ক্যাটাগরীর পণ্য ও সেবা পাওয়া যাবে। এই শপিংমলের ষষ্ঠ তলার সম্পূর্ণটাই বিনোদন জোন হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে। ষষ্ঠ তলায় রয়েছে ফুডকোর্ট, রেষ্টুরেন্ট, প্লেয়ারস জোন, ব্লকবাস্টার সিনেমাস প্রভৃতি।
মেট্রো শপিং মল, ধানমন্ডি :
পণ্য-সামগ্রীর বিবরণ -

প্রথম তলা - প্রসাধনী সামগ্রী, স্বর্ণের দোকান, জুতা, ফ্যাশন হাউজ (ছেলে/মেয়ে) ইত্যাদি।
দ্বিতীয় তলা - শিশুদের খেলা, হাতের ব্যাগ, স্বর্ণের দোকান ইত্যাদি।
তৃতীয় তলা - মহিলাদের পোষাক, থ্রীপিছ, শাড়ি, এপেক্স গ্যালারী ইত্যাদি।
চতূর্থ তলা - স্বর্নের দোকান, ফ্যাশন হাউজ (ছেলে/মেয়ে), পাঞ্জাবী, ফুড কোর্ট ইত্যাদি।
পঞ্চম তলা - বিভিন্ন অফিস।
ষষ্ঠ তলা - মোবাইল শপ, সিডি/ডিভিডি শপ।
হযরত শাহজালাল মার্কেট :
এখানে মেডিক্যাল, ও লেভেল, এ-লেভেল, বিবিএ, এমবিএ, জিম্যাট (GMAT), স্যাট, (SAT), টোফেল (TOEFL), জিআরই (GRE), আইইলটিস (IELTS) এর প্রয়োজনীয় বই পাওয়া যায়।

বাবুপুরা ক্ষুদ্র সমবায় মার্কেট :
বিবিএ, এমবিএ, ইঞ্জিনিয়ারিং এর বই পাওয়া যায় এই মার্কেটে।

ইসলামিয়া বহুমুখী সমবায় সমিতি :
স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিক্যাল, ইঞ্জিনিয়ারিং, আইন, ইংরেজী মাধ্যম স্কুল, বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগতামূলক পরীক্ষার নতুন ও পুরাতন বই পাওয়া যায়।
গুলসান ডিসিসি মার্কেট  :
পোশাক সামগ্রী, জুতা এবং লেডিস ব্যাগ এর জন্য বিখ্যাত এই মার্কেট । এই মার্কেটে তুলনামুলক কম দামে ভাল মানের পোশাক সামগ্রী, জুতা, লেডিস ব্যাগ এবং  ছোটদের খেলনা পাওয়া যায় ।